কিস্তিতে সোলার
৭২,২০০ টাকা একসাথে দেওয়া অনেক পরিবারের পক্ষে সম্ভব না। আমরা জানি, আর সেটাই আমাদের ব্যবসার সবচেয়ে বড় বাধা ছিল।
এইটুকু ডাউন দিয়ে শুরু করতে পারবেন। তিনটা প্যাকেজেই কিস্তির ব্যবস্থা আছে।
কিস্তির হিসাব
| প্যাকেজ | ডাউন | মাসে | মোট |
|---|---|---|---|
| ছোটনগদে ৪৮,৫০০ | ১৫,০০০ | ৬,২০০ × ৬ | ৫২,২০০ |
| মাঝারিনগদে ৭২,২০০ | ২৫,০০০ | ৯,০০০ × ৬ | ৭৯,০০০ |
| বড়নগদে ১,৯৫,০০০ | ৬৫,০০০ | ১২,৫০০ × ১২ | ২,১৫,০০০ |
আগে একটা কথা — নগদে পারলে নগদেই নিন
কিস্তিতে নিলে নগদের চেয়ে বেশি পড়ে।
কারণটা সোজা। আমরা মালটা ডিলারকে পুরো টাকা দিয়ে আনি, তারপর আপনার কাছ থেকে ছয় মাস বা এক বছর ধরে টাকা তুলি। ওই সময়টা আমাদের টাকা আটকে থাকে। সেই খরচটাই এই সাত থেকে দশ শতাংশ।
অনেকে শূন্য শতাংশ কিস্তি লিখে বিজ্ঞাপন দেয়, তারপর জিনিসের দামটাই বাড়িয়ে রাখে। আমরা দুইটা দামই সামনে লিখে দিই, আপনি মিলিয়ে দেখতে পারবেন।
টাকাটা যদি হাতে থাকে, বা দুই-তিন মাস অপেক্ষা করলে জমে যায় — অপেক্ষা করাই ভালো। কিস্তি সুবিধা, ছাড় না।
আসল খরচটা আরও কম
একটা হিসাব দেখুন, যেটা অনেকে খেয়াল করে না।
| মাঝারি প্যাকেজে মাসিক কিস্তি | ৯,০০০ |
| বিদ্যুৎ বিলে যা বাঁচছে | – ৯০০ |
| পকেট থেকে আসলে যাচ্ছে | ৮,১০০ |
ছয় মাস পর কিস্তি শেষ, কিন্তু বিলের সাশ্রয়টা চলতেই থাকবে — আরও দশ-পনেরো বছর।
কী কী কাগজ লাগবে
ছোট আর মাঝারি প্যাকেজে
- আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
- দুই কপি ছবি
- একজন জামিনদার, তার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
- সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ বিলের কপি
বড় প্যাকেজে উপরের সবগুলো, সাথে
- জমি বা বাড়ির কাগজের ফটোকপি
- কিস্তির চেক বা লিখিত অঙ্গীকারনামা
কীভাবে হয়
কথা বলুন
ফোনে বা হোয়াটসঅ্যাপে। কী কী চালাতে চান, বিল কত আসে বলুন।
আমরা দেখে আসি
ছাদ, ছায়া, ঘরের ওয়্যারিং দেখে সঠিক প্যাকেজ আর দামটা বলব। এর জন্য টাকা লাগে না।
কাগজপত্র আর ডাউন পেমেন্ট
চুক্তিতে দুই পক্ষই সই করব। কিস্তির তারিখ, পরিমাণ, ওয়ারেন্টি — সব কাগজে লেখা থাকবে।
মাল আসবে, ইনস্টল হবে
মাল আসতে তিন থেকে পাঁচ দিন, ইনস্টল এক দিন।
মাসের নির্দিষ্ট তারিখে কিস্তি
বিকাশ, নগদ বা সরাসরি — যেভাবে আপনার সুবিধা।
একটা মাস দিতে না পারলে
আগে থেকে জানালে আমরা এক মাস পিছিয়ে দিতে পারি। ফসল ওঠার সময়, বিয়ে, অসুখ — গ্রামে টাকার টান হয়, এটা আমরা বুঝি।
সিস্টেম আপনার বাড়িতেই থাকবে, আমরা খুলে নিয়ে যাব না। এটা চুক্তিতেও লেখা থাকবে।
এনজিও বা সমিতির মাধ্যমেও নিতে পারেন
রাজশাহীতে টিএমএসএস, আশা আর ব্র্যাকের ঋণ কার্যক্রম চালু আছে। আপনার যদি ইতিমধ্যে কোনো সমিতিতে সদস্যপদ থাকে, সেখান থেকে ঋণ নিয়ে আমাদের কাছ থেকে নগদে কিনতে পারেন। তাতে আমাদের কিস্তির সাত-দশ শতাংশ বাড়তি খরচটা লাগবে না, আর সমিতির কিস্তির মেয়াদও লম্বা হয়।
কোন সমিতিতে কী শর্ত সেটা তারা বলতে পারবে, আমরা না। কিন্তু কোটেশন আর কাগজপত্র যা লাগে, আমরা দিয়ে দেব।
সাধারণ প্রশ্ন
সুদ কত?
আমরা সুদের হারে হিসাব করি না, মোট দামে করি। নগদে যত, কিস্তিতে তার চেয়ে সাত থেকে দশ শতাংশ বেশি — উপরের টেবিলে দুইটা দামই লেখা আছে, নিজে মিলিয়ে নিতে পারবেন।
ডাউন পেমেন্ট কম দেওয়া যায়?
ছোট প্যাকেজে পনেরো হাজারের কম হলে আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না, কারণ ওইটুকু দিয়েই আমরা ডিলারকে অর্ডার দিই। তবে কিস্তির মাস বাড়িয়ে মাসিক টাকা কমানো যায়, সে ক্ষেত্রে মোট দাম একটু বাড়বে।
কিস্তি চলাকালীন কিছু নষ্ট হলে?
ওয়ারেন্টি আগের মতোই চলবে। কিস্তি শেষ হয়নি বলে সার্ভিস বন্ধ হবে না।
আগেই সব টাকা শোধ করে দিলে?
তাহলে বাকি মাসগুলোর বাড়তি খরচটা কেটে দেব। আগে শোধ করলে আপনার লাভ, আমাদেরও।
জামিনদার না থাকলে?
কথা বলুন। এলাকার পরিচিত কেউ, বা আগে আমাদের কাছ থেকে যিনি নিয়েছেন — এমন কারও পরিচয়েও হতে পারে।
গ্রামে থাকি, শহরে আসতে হবে?
না। আমরা এসে দেখে যাব, কাগজপত্রও বাড়িতে বসেই হবে।
কত পড়বে জানতে চান?
আপনার বিদ্যুৎ বিলের অঙ্কটা ক্যালকুলেটরে বসান, বা আমাদের বলুন। আমরা বলে দেব কোন প্যাকেজ লাগবে, মাসে কত কিস্তি পড়বে, আর বিল কতটা কমবে।
হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলুন