রাজশাহীতে সোলার প্যানেল ইনস্টলেশন
আমরা রাজশাহীরই। এখানকার রোদ, এখানকার কুয়াশা, এখানকার ধুলা — সব ধরে সিস্টেম বানাই।
রাজশাহীর রোদ কেমন
সোলারের হিসাব রোদের ঘণ্টা দিয়ে হয় না, “কাজের রোদ” দিয়ে হয় — যতটুকু সময় প্যানেল তার পুরো ক্ষমতায় কাজ করতে পারে।
| সময় | কাজের রোদ | উৎপাদন |
|---|---|---|
| মার্চ – মে | ৫ ঘণ্টার বেশি | সবচেয়ে ভালো |
| জুন – সেপ্টেম্বর | ৪ ঘণ্টার মতো | মেঘ-বৃষ্টিতে ওঠানামা |
| অক্টোবর – নভেম্বর | ৪.৫ ঘণ্টা | ভালো, আকাশ পরিষ্কার |
| ডিসেম্বর – জানুয়ারি | ৩.২ ঘণ্টা | কুয়াশায় কম |
| সারা বছরের গড় | ৪.২ ঘণ্টা |
মানে ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে উৎপাদন বছরের গড়ের চেয়ে বিশ-পঁচিশ শতাংশ কম। এই কথাটা বিক্রির সময় অনেকে বলে না। আমরা বলি, কারণ শীত এলে আপনি এমনিতেই টের পাবেন — তখন জানলে মনে হবে ঠকেছেন।
সিস্টেম সাইজ করার সময় আমরা শীতের হিসাব ধরেই করি, গড় ধরে না। তাতে দাম একটু বাড়ে, কিন্তু জানুয়ারিতেও ঘর চলে।
এখানকার তিনটা জিনিস আলাদা
ধুলা। বরেন্দ্র এলাকার মাটি শুকনো, বাতাসে ধুলা ওড়ে। প্যানেলে ধুলা জমলে উৎপাদন দশ-পনেরো শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এখানে মাসে একবার প্যানেল ধোয়া দরকার, অন্য জেলায় দুই-তিন মাসে একবারেও চলে।
বজ্রপাত। রাজশাহী অঞ্চলে বজ্রপাত হয়, বিশেষ করে কালবৈশাখীর সময়। আর্থিং আর SPD ছাড়া সিস্টেম বসানো এখানে বোকামি। আমরা দুইটাই দামের মধ্যে দিই।
গরম। সোলার প্যানেল গরমে ক্ষমতা হারায়। এপ্রিল-মে মাসে রোদ সবচেয়ে বেশি, কিন্তু প্যানেল তেতে থাকে বলে উৎপাদন হিসাবমতো বাড়ে না। তাই স্ট্রাকচারে ছাদ আর প্যানেলের মাঝে ফাঁক রাখতে হয়, যেন বাতাস চলে। এই ছোট জিনিসটা অনেকে করে না।
আমরা যেসব এলাকায় যাই
সদর থেকে দূরত্ব অনুযায়ী।
| এলাকা | দূরত্ব | সার্ভিস কল |
|---|---|---|
| রাজশাহী সদর | — | ২৪ ঘণ্টা |
| পবা | ১০ কিমি | ২৪ ঘণ্টা |
| মোহনপুর | ২৫ কিমি | ২৪–৪৮ ঘণ্টা |
| গোদাগাড়ী | ৩০ কিমি | ২৪–৪৮ ঘণ্টা |
| পুঠিয়া | ৩০ কিমি | ২৪–৪৮ ঘণ্টা |
| দুর্গাপুর | ৩৫ কিমি | ২–৩ দিন |
| চারঘাট | ৩৫ কিমি | ২–৩ দিন |
| তানোর | ৪০ কিমি | ২–৩ দিন |
| বাগমারা | ৪৫ কিমি | ২–৩ দিন |
| বাঘা | ৫০ কিমি | ২–৩ দিন |
নাটোর, নওগাঁ বা চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ফোন এলেও কথা বলি। তবে সৎ কথা হলো, ওই দূরত্বে সার্ভিস কলে যেতে সময় লাগবে — সেটা জেনেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
সেচের কথা
বরেন্দ্র এলাকায় সেচের খরচ কৃষকের সবচেয়ে বড় খরচ, আর ডিজেলের দাম প্রতি বছর বাড়ছে। সোলার সেচ পাম্প এখানে সত্যিই কাজের জিনিস — একবার বসালে জ্বালানির খরচ প্রায় শূন্য।
আমরা এখনো সেচ পাম্প বসাই না। বাড়ি আর দোকানের কাজ আগে ভালোভাবে দাঁড় করাচ্ছি, তারপর ওদিকে যাব। মিথ্যা বলে অর্ডার নিয়ে খারাপ কাজ করার চেয়ে সোজা না বলা ভালো।
সেচের ব্যাপারে জানতে চাইলে ফোন করতে পারেন, যতটুকু জানি বলব, আর কে ভালো করে সেটাও বলে দেব।