Skip to content
← হোম

আমাদের সম্পর্কে

গ্রামে কোম্পানি বিক্রি হয় না, মানুষ বিক্রি হয়। তাই নিজের কথাই বলি।

ছবি — আপনার নিজের ছবি, নিজের ছাদে বা দোকানে
স্টক ফটো না, আসল ছবি

[আপনার নাম]

প্রতিষ্ঠাতা, বাহন এনার্জি

এই তিনটা প্রশ্নের উত্তর নিজের ভাষায় লিখুন, তিন-চার প্যারা হলেই যথেষ্ট:

  • আপনি কোথাকার মানুষ, কোন গ্রাম বা এলাকা
  • সোলারের ব্যবসায় কেন এলেন — নিজের বাড়ির লোডশেডিং? বিলের চাপ? অন্য কারও খারাপ কাজ দেখে?
  • আগে কী করতেন

সাজানো ভাষায় লিখবেন না। যেভাবে কারও সাথে চায়ের দোকানে বসে বলবেন, সেভাবেই লিখুন।

আমরা যেভাবে কাজ করি

দাম সাইটে লেখা থাকে

“আসেন, দেখে বলি” আমরা বলি না। প্যাকেজের দাম, যন্ত্রের দাম, ইনস্টলের খরচ — সব লেখা আছে। যিনি শহর থেকে আসেন আর যিনি গ্রাম থেকে, দুইজনের দাম এক।

আগে নিজের বাড়িতে বসিয়েছি

যে জিনিস নিজে ব্যবহার করি না, সেটা বিক্রি করি না। আমাদের নিজের ছাদে ৪.২ KVA-র সিস্টেম চলছে, প্রতি মাসের বিল আমরা প্রকাশ করি — কুয়াশার মাসের খারাপ হিসাবটাও।

যা পারব না, সোজা বলি

সোলারে এসি সারা রাত চলে না। ছোট প্যাকেজে টাকা উঠতে নয়-দশ বছর লাগে। সেচ পাম্প আমরা এখনো বসাই না। এই কথাগুলো বললে দুই-একটা বিক্রি কম হয়, কিন্তু ছয় মাস পর কেউ এসে বলে না যে ঠকিয়েছি।

আর্থিং আর SPD বাদ দিই না

এই দুইটা বাদ দিলে খরচ সাড়ে পাঁচ হাজার কমে। রাজশাহীতে বজ্রপাত হয়, তাই আমরা কমাই না।

আমরা নতুন, সেটা লুকাই না

বাহন এনার্জি সদ্য শুরু হয়েছে। বিশ বছরের অভিজ্ঞতার দাবি আমরা করব না, কারণ সেটা মিথ্যা হবে।

যেটা করতে পারি — প্রতিটা কাজের ছবি আর হিসাব খুলে দেখানো, নিজের বাড়িতে আগে বসিয়ে দেখানো, আর যা জানি না সেটা জানি না বলা।