Skip to content
← সব প্যাকেজ

বড় প্যাকেজ — ফ্রিজসহ সারা রাত

৪.২ KVA হাইব্রিড। আমাদের নিজের বাড়িতে এটাই চলছে।

১,৯৫,০০০ টাকা

ইনস্টল, ক্যাবল, স্ট্রাকচার আর আর্থিং ধরা। পরে আলাদা বিল আসবে না।

এককালীন দিতে না পারলে কিস্তির ব্যবস্থাও আছে

আমরা নিজে ব্যবহার করি

এই সিস্টেমটা আমাদের নিজের বাড়িতে বসানো ২০২৬ সালের মার্চ থেকে। যা বলছি, সব নিজে চালিয়ে দেখা।

আমাদের নিজের বাড়ির বিদ্যুৎ বিল
সোলার বসানোর আগে৪,২০০
এখন, প্রতি মাসে১,৮০০
মাসে ২,৪০০ টাকা কম। শীতের কুয়াশার মাসে কম বাঁচে, সেই হিসাবটাও আমরা দিই।
ছবি — আপনার নিজের ছাদ,
চারটা প্যানেল
ছবি — ইনভার্টার আর ব্যাটারি,
দেয়ালে বসানো

প্রতি মাসের হিসাব দেখুন

কী কী চলবে

জিনিসকয়টাকত ঘণ্টা
ফ্রিজ২৪ ঘণ্টা
সিলিং ফ্যানসারা রাত
এলইডি লাইট১৫সারা রাত
টিভিযত ইচ্ছা
ওয়াশিং মেশিনদিনের বেলা
পানির মোটর, ০.৫ হর্সদিনে, অল্প সময়

ফ্রিজ সারা রাত চলবে। এটাই এই প্যাকেজ আর মাঝারি প্যাকেজের মূল পার্থক্য।

কী কী পাবেন

যন্ত্রকী দিচ্ছি
সোলার প্যানেল৪টা × ৫৯০W মনো, মোট ২৩৬০W
হাইব্রিড ইনভার্টার৪.২ KVA, ২৪V, MPPT সহ
ব্যাটারি৫.১২ kWh লিথিয়াম
স্ট্রাকচারজিআই স্ট্রাকচার
ক্যাবল ও সুরক্ষাসোলার ক্যাবল, MC4, DC ও AC ব্রেকার
আর্থিংআর্থিং রড ও SPD
ইনস্টলপুরো কাজ

বিল কতটা কমবে

মাসে এখন সাড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা বিল আসলে, সোলারের পর সাধারণত দুই হাজারের আশেপাশে নামে। মাসে প্রায় ২,৫০০ টাকা সাশ্রয়, বছরে ত্রিশ হাজারের মতো।

টাকা ওঠে ৬–৭ বছরে

বিদ্যুতের দাম বাড়লে আরও তাড়াতাড়ি।

এই সিস্টেমের বড় লাভটা অবশ্য বিলে না। লোডশেডিংয়ে ফ্রিজ বন্ধ হয় না। গরমের দিনে ছয় ঘণ্টা কারেন্ট না থাকলে ফ্রিজের মাছ-মাংস নষ্ট হয় — সেই ক্ষতিটা বিলের হিসাবে ধরা পড়ে না, কিন্তু আসল।

এটা কার জন্য

  • মাসে বিল চার হাজার টাকার বেশি
  • ফ্রিজ, একাধিক টিভি, পানির মোটর আছে
  • বড় পরিবার বা যৌথ পরিবার
  • ছোট মিল, মুদি দোকান, ফার্মেসি, চেম্বার

মিল, কোল্ড স্টোরেজ বা হ্যাচারির মতো বড় লোড হলে এই প্যাকেজে হবে না, আলাদা ডিজাইন লাগবে। কথা বলুন, হিসাব করে দেব।

কিস্তি

ডাউন পেমেন্ট৬৫,০০০
মাসিক কিস্তি১২,৫০০
কয় মাস১২
মোট২,১৫,০০০

নগদে নিলে বিশ হাজার টাকা কম পড়ে। দুই লাখের সিদ্ধান্তে বিশ হাজার কম কথা না, তাই পারলে নগদেই নিন।

মাসে ১২,৫০০ দিচ্ছেন, বিদ্যুৎ বিলে বাঁচছেন ২,৫০০। পকেট থেকে যাচ্ছে দশ হাজারের মতো, এক বছরের জন্য।

সাধারণ প্রশ্ন

ফ্রিজ সারা রাত চললে সকালে ব্যাটারিতে কী থাকে?

একটা সাধারণ ফ্রিজ রাতে শূন্য দশমিক পাঁচ থেকে শূন্য দশমিক সাত ইউনিট খায়। ৫.১২ kWh ব্যাটারিতে ফ্রিজের পরও ফ্যান-লাইটের জন্য অনেক থাকে। সকালে সাধারণত চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ বাকি থাকবে।

পানির মোটর চালানো যাবে?

শূন্য দশমিক পাঁচ হর্স পর্যন্ত চালানো যাবে, দিনের বেলা, অল্প সময়ের জন্য। মোটর চালু হওয়ার সময় স্বাভাবিকের তিন-চার গুণ কারেন্ট টানে, তাই বড় মোটর এই ইনভার্টারে ঝুঁকির।

ছাদে কতটা জায়গা লাগবে?

চারটা প্যানেলের জন্য প্রায় বারো ফুট বাই নয় ফুট খোলা জায়গা। সারা দিন ছায়ামুক্ত হতে হবে।

শীতে কতটা কমে?

রাজশাহীতে বছরে গড়ে দিনে ৪.২ ঘণ্টার মতো কাজের রোদ পাওয়া যায়। ডিসেম্বর-জানুয়ারির কুয়াশায় সেটা ৩.২ ঘণ্টার আশেপাশে নামে, মানে ওই দুই মাসে উৎপাদন বিশ থেকে পঁচিশ শতাংশ কম। আমাদের নিজের সিস্টেমের ওই মাসগুলোর আসল হিসাব আমরা প্রকাশ করি।

বাজ পড়লে কী হয়?

রাজশাহীতে বজ্রপাত হয়, তাই আমরা প্রতিটা সিস্টেমে আর্থিং রড আর SPD দিই, দামের মধ্যেই। এটা সব ঝুঁকি শেষ করে দেয় না, কিন্তু বাদ দিলে ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। কেউ যদি এই দুইটা ছাড়া সস্তায় করে দিতে চায়, সেটা কেন সস্তা সেটা বুঝে নেবেন।

ব্যাটারি কতদিন পর বদলাতে হবে?

লিথিয়াম ব্যাটারি ঠিকমতো ব্যবহার করলে আট থেকে দশ বছর। এরপর সাধারণত পুরোপুরি মরে না, ধারণক্ষমতা কমে যায়।

আমাদের বাড়িতে এসে দেখে যান

কথা শুনে বিশ্বাস করার দরকার নেই। সিস্টেমটা চলতে দেখুন, বিলের কাগজ দেখুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন।

হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলুন