Skip to content
← সব প্যাকেজ

মাঝারি প্যাকেজ — পরিবার

৬ ফ্যান, ১২ লাইট, টিভি আর দিনের বেলা ফ্রিজ। আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি মানুষ এটাই নেয়।

৭২,২০০ টাকা

ইনস্টল, ক্যাবল, স্ট্রাকচার আর আর্থিং ধরা। পরে আলাদা বিল আসবে না।

এককালীন দিতে না পারলে কিস্তির ব্যবস্থাও আছে

কী কী চলবে

জিনিসকয়টাকত ঘণ্টা
সিলিং ফ্যানসারা রাত
এলইডি লাইট১২সারা রাত
টিভিসারা সন্ধ্যা
ফ্রিজ, ৮–১০ ঘনফুটদিনের বেলা
মোবাইল, রাউটারযত লাগেসব সময়

ফ্রিজের ব্যাপারে খোলাখুলি

দিনের বেলা ফ্রিজ সোলারেই চলবে। রাতে ফ্রিজ চালালে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হবে, তখন ফ্যান-লাইট কম সময় পাবেন। রাতেও ফ্রিজ চালাতে চাইলে বড় প্যাকেজ লাগবে।

যা চলবে না: এসি, সেচ পাম্প, ওয়েল্ডিং মেশিন, ইলেকট্রিক চুলা।

কী কী পাবেন

যন্ত্রকী দিচ্ছি
সোলার প্যানেল২টা × ৫৯০W মনো, মোট ১১৮০W
হাইব্রিড ইনভার্টার২.৪ KVA, ২৪V, MPPT সহ
ব্যাটারি২.৫৬ kWh লিথিয়াম
স্ট্রাকচারজিআই, ছাদ বা টিনের চাল
ক্যাবল ও সুরক্ষাসোলার ক্যাবল, MC4, DC ও AC ব্রেকার
আর্থিংআর্থিং রড ও SPD
ইনস্টলপুরো কাজ, লেবার আলাদা নেই

বিল কতটা কমবে

মাসে এখন ২,৫০০ টাকা বিল আসলে, সোলারের পর সাধারণত ১,৬০০ টাকার আশেপাশে নামে। মাসে নয়শো টাকার মতো সাশ্রয়, বছরে প্রায় এগারো হাজার।

টাকা ওঠে ৬–৭ বছরে

এরপর সিস্টেম আরও দশ-পনেরো বছর চলবে, মাঝখানে ব্যাটারি একবার বদলাতে হবে।

দুইটা কথা যোগ করি, কারণ এই হিসাব খুব সরল করে দেখালে পরে অভিযোগ আসে। বিদ্যুতের দাম প্রতি বছর বাড়ে — বাড়লে সাশ্রয়ও বাড়ে, টাকা তাড়াতাড়ি উঠবে। আর শীতে উৎপাদন কমে, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে সাশ্রয় অন্য মাসের চেয়ে বিশ-পঁচিশ শতাংশ কম হবে।

এটা কার জন্য

  • মাসে বিল ২,০০০ থেকে ৩,৫০০ টাকা
  • পাঁচ-ছয় জনের পরিবার, ফ্রিজ আছে
  • বিল কমানো আর লোডশেডিং, দুইটাই সমস্যা
  • দোকান বা ছোট অফিস, যেখানে দিনের বেলাই বেশি চলে

দোকানের ক্ষেত্রে এই প্যাকেজ বাড়ির চেয়েও ভালো কাজ করে, কারণ দোকানের ব্যবহার দিনের বেলা — ঠিক যখন সূর্য থাকে। ব্যাটারিতে জমা করার দরকারই কম পড়ে।

কিস্তি

ডাউন পেমেন্ট২৫,০০০
মাসিক কিস্তি৯,০০০
কয় মাস
মোট৭৯,০০০

নগদে নিলে ৬,৮০০ টাকা কম পড়ে। পারলে নগদেই নিন।

আসল খরচটা আরও কম

কিস্তির মাসে আপনি ৯,০০০ টাকা দিচ্ছেন, কিন্তু বিদ্যুৎ বিলে বাঁচছেন নয়শো টাকার মতো। মানে পকেট থেকে যাচ্ছে ৮,১০০। আর ছয় মাস পর কিস্তি শেষ, সাশ্রয় চলতেই থাকবে।

সাধারণ প্রশ্ন

ফ্রিজ সারা রাত চালানো যাবে না কেন?

একটা ফ্রিজ দিনে এক থেকে দেড় ইউনিট বিদ্যুৎ খায়, আর কম্প্রেসার চালু হওয়ার সময় হঠাৎ অনেক বেশি টানে। ২.৫৬ kWh ব্যাটারিতে রাতে ফ্রিজ চালালে ফ্যান-লাইটের জন্য কিছু থাকবে না। রাতেও চালাতে চাইলে ৫.১২ kWh ব্যাটারি লাগে, সেটা বড় প্যাকেজে আছে।

পল্লী বিদ্যুতের লাইন থাকবে তো?

থাকবে। এটা হাইব্রিড সিস্টেম — সোলার, ব্যাটারি আর গ্রিড তিনটাই একসাথে কাজ করে। ব্যাটারি শেষ হলে নিজে থেকেই গ্রিডে চলে যায়, আপনি টেরও পাবেন না।

পরে প্যানেল বা ব্যাটারি বাড়ানো যাবে?

যাবে। এই ইনভার্টারে আরও প্যানেল আর ব্যাটারি যোগ করার জায়গা আছে। অনেকে শুরুতে এই প্যাকেজ নিয়ে এক-দুই বছর পর ব্যাটারি বাড়ায়।

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ পল্লী বিদ্যুতে বেচা যায়?

নেট মিটারিং করলে যায়, কিন্তু তার জন্য আলাদা অনুমোদন আর অন-গ্রিড সেটআপ লাগে। বাড়ির এই সাইজে সাধারণত হিসাবে পোষায় না। ব্যবসায়িক লোড হলে আলাদা কথা।

ছাদে কতটা জায়গা লাগবে?

দুইটা প্যানেলের জন্য প্রায় ছয় ফুট বাই নয় ফুট খোলা জায়গা, যেখানে সারা দিন ছায়া পড়ে না। ছায়া সবচেয়ে বড় শত্রু — একটা গাছের ডালের ছায়াও উৎপাদন অনেক কমিয়ে দেয়।

ইনস্টল করতে কতদিন?

মাল আসতে তিন থেকে পাঁচ দিন, ইনস্টল এক দিন।

আপনার ঘরে গিয়ে দেখে আসি?

কী কী চালাতে চান, ছাদে কতটা জায়গা আছে, ছায়া পড়ে কিনা — দেখে এসে সঠিক হিসাবটা বলতে পারব। দেখতে আসার জন্য টাকা লাগে না।

হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলুন