ছোট প্যাকেজ — ঘরোয়া
৪টা ফ্যান, ৮টা লাইট, ১টা টিভি। সারা রাত।
ইনস্টল, ক্যাবল, স্ট্রাকচার আর আর্থিং ধরা। পরে আলাদা বিল আসবে না।
এককালীন দিতে না পারলে কিস্তির ব্যবস্থাও আছে
কী কী চলবে
ওয়াট-অ্যাম্পিয়ারের হিসাব দিয়ে লাভ নেই। আপনার ঘরের জিনিস দিয়েই বলি।
| জিনিস | কয়টা | কত ঘণ্টা |
|---|---|---|
| সিলিং ফ্যান | ৪ | সারা রাত |
| এলইডি লাইট | ৮ | সারা রাত |
| টিভি, ৩২ ইঞ্চি | ১ | ৫–৬ ঘণ্টা |
| মোবাইল চার্জ | ৪–৫ | যখন খুশি |
এগুলো একসাথে চালালেও চলবে। রাত আটটায় সব চালু থাকলে সকাল পর্যন্ত ব্যাটারি টানবে।
কী কী পাবেন
| যন্ত্র | কী দিচ্ছি |
|---|---|
| সোলার প্যানেল | ১টা × ৫৯০W মনো |
| হাইব্রিড ইনভার্টার | ১.২ KVA, ১২V, MPPT সহ |
| ব্যাটারি | ১.২৮ kWh লিথিয়াম |
| স্ট্রাকচার | জিআই, ছাদ বা টিনের চাল |
| ক্যাবল ও সুরক্ষা | সোলার ক্যাবল, MC4, DC ও AC ব্রেকার |
| আর্থিং | আর্থিং রড ও SPD |
| ইনস্টল | পুরো কাজ, লেবার আলাদা নেই |
আমরা লিথিয়াম ব্যাটারি দিই, টিউবুলার না। দাম বেশি পড়ে, কিন্তু লিথিয়াম আট থেকে দশ বছর চলে আর টিউবুলার চার থেকে পাঁচ। দুইবার টিউবুলার কেনার চেয়ে একবার লিথিয়াম কেনা সস্তা।
এটা কার জন্য
- মাসে বিদ্যুৎ বিল ৮০০ থেকে ১,৫০০ টাকার মধ্যে
- তিন-চার জনের পরিবার, ফ্রিজ নাই বা ফ্রিজ গ্রিডেই চালাবেন
- যাদের মূল সমস্যা লোডশেডিং, বিল না
- যারা আগে IPS কেনার কথা ভাবছিলেন
শেষ কথাটা নিয়ে একটু বলি। একটা ভালো IPS আর ব্যাটারি কিনতে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা লাগে, আর সেটা বিদ্যুৎ থেকেই চার্জ নেয় — বিল কমে না, বরং সামান্য বাড়ে। এই প্যাকেজ ১৩ থেকে ১৮ হাজার টাকা বেশি, কিন্তু বিলও কমায়।
বিল কতটা কমবে — সৎ হিসাব
মাসে এখন ১,২০০ টাকা বিল আসলে, এই সিস্টেমের পর সাধারণত ৮০০ টাকার আশেপাশে নামে। মাসে চারশো টাকার মতো সাশ্রয়।
শুধু বিলের হিসাবে ধরলে। মানে এই প্যাকেজটা আসলে লোডশেডিংয়ের সমাধান, বিল কমানোর সমাধান না।
বিল যদি আপনার বড় সমস্যা হয়, মাঝারি প্যাকেজ নিন। ওখানে ছয়-সাত বছরে টাকা ওঠে, হিসাব অনেক ভালো আসে।
কিস্তি
| ডাউন পেমেন্ট | ১৫,০০০ |
| মাসিক কিস্তি | ৬,২০০ |
| কয় মাস | ৬ |
| মোট | ৫২,২০০ |
নগদে নিলে ৩,৭০০ টাকা কম পড়ে। পারলে নগদেই নিন। কিস্তিতে বাড়তিটা আমাদের টাকা আটকে থাকার খরচ, লুকিয়ে রাখার কিছু নেই।
জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি আর একজন জামিনদার লাগবে। কিস্তির পুরো শর্ত দেখুন·নিজের বিল বসিয়ে হিসাব করুন
সাধারণ প্রশ্ন
একটা প্যানেলে ৪টা ফ্যান চলবে?
চলবে, কারণ ফ্যান সরাসরি প্যানেল থেকে চলে না — ব্যাটারি থেকে চলে। দিনের বেলা প্যানেল ব্যাটারি ভরে, রাতে ব্যাটারি ফ্যান চালায়।
বৃষ্টির দিনে কী হয়?
ব্যাটারি পুরোপুরি ভরবে না, রাতে হয়তো চার-পাঁচ ঘণ্টা চলবে সারা রাতের বদলে। ব্যাটারি শেষ হলে ইনভার্টার নিজেই গ্রিডে চলে যাবে, ঘর অন্ধকার হবে না।
পরে বাড়ানো যাবে?
প্যানেল আর ব্যাটারি বাড়ানো যাবে। কিন্তু ১.২ KVA ইনভার্টারের সীমা আছে — ফ্রিজ চালাতে চাইলে ইনভার্টার বদলাতে হবে। ফ্রিজ চালানোর ইচ্ছা থাকলে শুরুতেই মাঝারি প্যাকেজ নেওয়া সস্তা পড়ে।
টিনের ঘরে বসানো যায়?
যায়। আলাদা স্ট্রাকচার লাগে, খরচ দেড় থেকে আড়াই হাজার টাকা বাড়ে। দেখে এসে বলব।
কতদিনে লাগিয়ে দেবেন?
অর্ডার আর ডাউন পেমেন্টের পর মাল আসতে তিন থেকে পাঁচ দিন। এরপর ইনস্টল এক দিনের কাজ।
দেখতে চান আগে?
আমাদের একটা পোর্টেবল ইউনিট আছে। বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আপনার নিজের ফ্যান আর টিভি লাগিয়ে দেখাতে পারি। কিনতে হবে না।
হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলুন